Jyotish Articles

A Throne Under the Shadow: Why the February 2026 Oaths Oaths Signal a Turblent Shift for Bangladesh

Bangladesh Prime Minister taking oath February 2026 with zodiac wheel background – Political astrology analysis by Avoy Amrito Das

The February 2026 oath moment and its astrological implications for Bangladesh’s political future.

 

 

জ্যোতিষের চোখে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত :

_______________ ♥________________

ভূমিকা :

“আসিতেছে শুভদিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ!”

গ্রহ-নক্ষত্রের ইশারা কেবল সম্ভাবনার পথ দেখায়, কিন্তু গন্তব্য নির্ধারণ করেন স্বয়ং ঈশ্বর। জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো অন্ধবিশ্বাস নয়, বরং এটি মহাজাগতিক গণিতের এক গভীর বিদ্যা। ইতিহাসের পাতায় মুঘল বাদশাহ থেকে রোমান সাম্রাজ্য, অটোমান সাম্রাজ্য, ইথিওপীয় সাম্রাজ্য, জাপানের রাজবংশ কেবল তলোয়ারের শক্তিতে পৃথিবী শাসন করেননি, তারা বিশ্বাস করতেন এই মহাবিশ্বের অদৃশ্য শক্তির খেলায়। এই নিবন্ধটি সেই ঐতিহাসিক পরম্পরা এবং বর্তমান সময়ের নাক্ষত্রিক অবস্থানের এক বস্তুনিষ্ঠ বিশ্লেষণ মাত্র।

মনে রাখা প্রয়োজন, জ্যোতিষ শাস্ত্র সম্ভাবনার কথা বলে, নিশ্চয়তার নয়। মানুষের কর্ম এবং বিধাতার ইচ্ছা—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই ভবিতব্য নির্ধারিত হয়। গ্রহের অবস্থান প্রতিকূল হলেও অদম্য ইচ্ছা আর ঈশ্বরের প্রতি অবিচল বিশ্বাসই পারে দুর্যোগের মেঘ কাটিয়ে আলোর দিশা দিতে। কারণ, শেষ পর্যন্ত সকল ক্ষমতার উৎস সেই পরমাত্মা।

_____________♦️_____________

মুঘল সম্রাটদের জ্যোতিষ শাস্ত্রের প্রতি অগাধ বিশ্বাস :

পোস্টের সূচনা করবো মুঘল সম্রাটদের সাথে জ্যোতিষ শাস্ত্রের কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা দিয়ে।
এরপর আসবো বাংলাদেশের নতুন সরকারের ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা নিয়ে।

ইতিহাসের পাতায় মুঘলরা কেবল বীর যোদ্ধা ছিলেন না, তারা ছিলেন জ্যোতিষ শাস্ত্র এবং জ্যোতিষীদের একনিষ্ঠ অনুসারী। তারাই প্রথম মন্ত্রী পরিষদে উপদেষ্টা হিসেবে জ্যোতিষীদের নিয়োগ করেন। খলিফা আল মনসুর থেকে শুরু করে আওরঙ্গজেব—প্রত্যেকের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল জ্যোতিষ শাস্ত্রে পারদর্শী জ্যোতিষীদের গণনা। তারই মধ্যে কয়েকটি সত্যি ও রোমাঞ্চকর ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

১. সম্রাট আকবরের অলৌকিক জন্ম রহস্য :
সম্রাট আকবরের জন্ম কাহিনী কোনো থ্রিলার গল্পের চেয়ে কম নয়।

* সহস্রাব্দে একবার আসা বিরল যোগ: আকবরের মা হামিদা বেগমের প্রসববেদনা উঠেছিল ১৪ অক্টোবর রাতে। তার পিতা সম্রাট হুমায়ুন সে সময় যুদ্ধের উদ্দেশ্য অনেক দূরদেশে থাকলেও তাঁর ব্যক্তিগত জ্যোতিষী মাওলানা চাঁদকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি যেন রাজ্যে থাকেন এবং শিশুর জন্মসময় মেপে নিখুঁত জন্মকুণ্ডলী তৈরি করেন।

* প্রসব স্থগিতের অলৌকিক কৌশল: আকবরের মা যখন প্রসব বেদনায় ছটফট করছিলেন, তখন জ্যোতিষী মাওলানা চাঁদ গণনায় দেখলেন, শিশুটি যদি আর সামান্য কিছুক্ষণ পরে জন্মায়, তবে এক বিরল গ্রহ-নক্ষত্র-সংযোগ ঘটবে—যা সহস্র বছরে একবারই আসে। কিন্তু এদিকে প্রসব প্রায় হয়েই যাচ্ছিল। তিনি যেকোনোভাবে সেই মুহুর্তে প্রসব হওয়া আটকানোর জন্য এক ধাত্রীকে ভয়ংকর ডাইনির রূপে সাজিয়ে রানির সামনে হাজির করেন। সেই দৃশ্য দেখে হামিদা বেগম জ্ঞান হারান এবং প্রসববেদনা সাময়িকভাবে থমকে যায়। শুভ মুহূর্ত ঘনিয়ে এলে অলৌকিকভাবে রানির জ্ঞান ফিরে এবং জন্ম হয় সম্রাট আকবরের। জ্যোতিষী মাওলানা চাঁদ মহারাজ হূমায়ুনকে বার্তা পাঠান—এই সন্তান মুঘল বংশের মধ্যে সর্বাধিক সময় রাজসিংহাসনে অধিষ্ঠিত থাকবেন।

২. হুমায়ুনের অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস:

* রঙিন দিনলিপি: হুমায়ুন সপ্তাহের সাত দিন সাতটি গ্রহের অশুভ দৃষ্টি এড়াতে সাত রঙের পোশাক পরতেন (যেমন: রবিবার হলুদ, সোমবার সাদা)। তার রুমের কালার থেকে শুরু করে বিছানার চাদর পর্যন্ত সবকিছু জ্যোতিষ পরামর্শ অনুযায়ী হতো।

* মৃত্যুর নির্ভুল পূর্বাভাস: নিজের মৃত্যুর সাত দিন আগে তিনি ঠিক সাত দিনের আফিম মেপে আলাদা করেছিলেন। মৃত্যুর দিন দুপুরে তিনি ঘোষণা করেছিলেন—আজ এক মহান ব্যক্তি পৃথিবী থেকে বিদায় নেবেন। সেই সন্ধ্যায় আকাশে শুক্র গ্রহ দেখতে গিয়েই সিঁড়ি থেকে পড়ে তাঁর প্রয়াণ ঘটে।

৩. জাহাঙ্গীরের রাশিচক্রের মুদ্রা:
জ্যোতিষ শাস্ত্রের প্রতি অনুরাগের চূড়ান্ত নিদর্শন হিসেবে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর মুদ্রার এক পিঠে রাশিচক্রের ছবি ছাপিয়েছিলেন, যা মুদ্রানীতির ইতিহাসে আজও এক অনন্য দলিল।

৪. আওরঙ্গজেবের অমোঘ জন্মকুণ্ডলী:

কঠোর সম্রাট আওরঙ্গজেবও জ্যোতিষী ফজিল আহমেদের গণনার ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখতেন। তার রাজ্যাভিষেক হয়েছিল জ্যোতিষীদের নির্ধারিত কাঁটায় কাঁটায় সময় মেপে। এমনকি তার মৃত্যুর পর যে সাম্রাজ্যে অরাজকতা নেমে আসবে এবং উত্তরসূরিদের সংকীর্ণতায় মুঘল সূর্য অস্তমিত হবে—সেই ভবিষ্যদ্বাণীও তাঁর জন্মকুণ্ডলীতে আগে থেকেই লেখা ছিল, যা তিনি অবগত ছিলেন এবং তার পরবর্তী বংশধরদের সাবধান হতে বলেছিলেন।

🔱 উপরোক্ত লেখাটির উদ্দেশ্য :

এই লেখার উদ্দেশ্য অন্ধবিশ্বাস ছড়ানো নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক সত্য তুলে ধরা—যে জ্যোতিষ শাস্ত্র কোনো সাধারণ লোকাচার বা কুসংস্কারের বিষয় ছিল না; বরং যুগে যুগে সাম্রাজ্যের শাসক, সম্রাট ও রাষ্ট্রনায়কদের কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক বিদ্যা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

মুঘল সম্রাটদের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে এই কারণে, যাতে বোঝা যায়—ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থানকারী ব্যক্তিরাও সময়, গ্রহ-নক্ষত্র ও মহাজাগতিক ছন্দকে গুরুত্ব দিতেন। তারা জ্যোতিষকে অন্ধভাবে নয়, বরং রাষ্ট্রপরিচালনার সূক্ষ্ম কৌশল হিসেবে ব্যবহার করতেন।

আজকের প্রেক্ষাপটে, যখন অনেকেই জ্যোতিষ শাস্ত্রকে কেবল কুসংস্কার বলে উড়িয়ে দেন, তখন ইতিহাসের এই দলিলগুলো স্মরণ করিয়ে দেয়—এই বিদ্যার চর্চা সর্বদাই উচ্চপর্যায়ের মানুষের পরামর্শব্যবস্থার অংশ ছিল।

এই আলোচনার দ্বিতীয় অংশে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে কথা বলার উদ্দেশ্যও একই—রাষ্ট্র, সময় ও ভাগ্যের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে একটি গম্ভীর বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা; যেন পাঠক আবেগ নয়, যুক্তি ও ইতিহাসের আলোকে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

অতএব, এই লেখা বিশ্বাস চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়াস নয়; বরং ইতিহাস, জ্ঞান ও সময়চেতনার আলোকে একটি চিন্তার দরজা খুলে দেওয়ার প্রয়াস।

________________ ♥_________________

বাংলাদেশে নতুন সরকারের ভবিষ্যতের আলো-অন্ধকারময় সম্ভাবনাঃ

ভূমিকাঃ জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনার মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ নিয়ে এই প্রতিবেদনটি লিখলাম। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সংস্কার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক—এই তিনটি খাতকে কেন্দ্র করে এগোবে আমার এই বিশ্লেষণ।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকেল ৪:০৫–৪:১৫—বাংলাদেশের নতুন সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের শপথ গ্রহণের এই সময়টি জ্যোতিষশাস্ত্রের দৃষ্টিতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রের যাত্রা শুরু হয় একটি নির্দিষ্ট লগ্নে, আর সেই লগ্নই ভবিষ্যতের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনার ইঙ্গিত বহন করে। জন্মকুণ্ডলী যেমন একজন মানুষের চরিত্র, শক্তি ও দুর্বলতার সম্ভাবনা নির্দেশ করে, তেমনি রাষ্ট্রের শপথ-মুহূর্তও তার প্রশাসনিক গতি, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও কূটনৈতিক ভারসাম্যের সংকেত দেয়।
মনে রাখবেন, জ্যোতিষশাস্ত্র নিশ্চিত ভবিষ্যৎ ঘোষণা করে না; এটি সম্ভাবনার ভাষায় সতর্কতা দেয়। শেষ পর্যন্ত জাতির ভাগ্য নির্ধারিত হয় মানুষের কর্ম, নেতৃত্বের প্রজ্ঞা এবং সর্বোপরি পরমেশ্বরের ইচ্ছায়।

আমার প্রত্যাশা—নতুন সরকার ন্যায়, সততা ও জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে সময়ের শুভ সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিক এবং অশুভ সম্ভাবনাগুলোকে প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখুক।

🇧🇩 দেশের শান্তি, স্থিতি ও অগ্রগতিই হোক আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রার্থনা🙏

_________________♥________________

১. 🌸 যে সমস্ত উদ্যোগ সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রিয় করে তুলবে :

* নতুন সরকার যুবসমাজের জন্য অসংখ্য আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কর্মসংস্থান তৈরি করার চেষ্টা করবে, যা বিপুল জনপ্রিয়তা পাবে। কৃষকসহ মেহনতী মানুষের জন্য সরকার এমনকিছু উদ্যোগ নিবে, যা বিপুল গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

* সামরিক শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সরকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামে বিনিয়োগ করবে বা করতে বাধ্য হবে, যা দেশের আভ্যন্তরীণ কাঠামোকে মজবুত ও নিরাপদ করবে।

* জ্বালানি তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ আমদানি ও উৎপাদনে সরকার অভূতপূর্ব সফলতা পাবে। এছাড়াও চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারের উদ্যোগ বেশ প্রশংসনীয় হবে। এ সরকারের হাত ধরে দেশ ডিজিটাল জগতের একটি অত্যাধুনিক যুগে প্রবেশ করবে।

* মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জীবনসঙ্গিনী, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে স্বামীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাহসী ভূমিকা পালন করবেন এবং আগামীতে দেশকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন তিনি।

* মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র কন্যা ভবিষ্যত বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং বর্তমান সরকারেও তরুণ প্রজন্মের কাছে ইতিবাচক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করবেন। দেশকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সিতে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

♦️২. অদৃশ্য সংকট ও নড়বড়ে শাসন :

* অদৃশ্য সংকট: বিএনপি সরকারের যাত্রার শুরুতেই এক অদৃশ্য সংকট বিদ্যমান রয়েছে বলে অনুমিত হয়। সরকারের পিছনে এক অদৃশ্য শক্তি কলকাঠি নাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে।

* বিগত আওয়ামী লীগ সরকার যেমন দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকে একচ্ছত্র শাসন চালিয়ে গেছেন, তার বিপরীত হতে পারে বর্তমান সরকারের মেয়াদের সময়কাল। সরকারের এ যাত্রা দীর্ঘ হবে না, এমনকি ৫ বছর মেয়াদের মাঝামাঝি পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই সরকার পতন হয়ে যাওয়ার বা আভ্যন্তরীণ আমূল পরিবর্তন হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

* ২০২৮-২০৩০ সালের শুরুর দিকে দেশে পুনরায় ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকট তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকার প্রধানকে পদে-পদে বিভ্রান্ত করা হতে পারে।
দলের ভেতর কিছু ভিন্নমতাবলম্বী গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বিভিন্ন স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ করবেন।

* প্রশাসনে বাহ্যিক চাকচিক্য জনসমক্ষে এক ধরনের ‘মায়া’ বা বিভ্রম তৈরি করলেও ভেতরে চরম অস্থিরতা কাজ করতে পারে।

* তিন বাহিনীর উদ্বর্তন কর্মকর্তাদের বিভিন্ন অসন্তোষ তৈরি হতে পারে এবং সেনাবাহিনীর ভিতর অসন্তোষ বৃদ্ধি পেতে পারে ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে বারবার রদবদল হতে পারে। এই সরকারের অস্তিত্বের সাথে সেনাবাহিনীর একটি গভীর সংযোগ পরিলক্ষিত হতে পারে।

🩸৩. চতুর্গ্রহী যোগের অভিশাপ ও অরাজকতার ছায়া :

* স্বচ্ছতার অভাব: সময় গড়ানোর সাথে সাথে সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার চরম অভাব দেখা দিতে পারে।

* মানসিক হতাশা: সরকার প্রধানকে অনেকগুলো ঘটনা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে করতে বাধা প্রাপ্ত হবেন।

* পেশীবহুল শাসন: অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে এক ধরনের সামরিক বা অত্যন্ত কঠোর ‘পেশীবহুল’ শাসনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তাছাড়া ভবিষ্যতে সেনাবাহিনীকে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখার জন্য মাঠে নামানো হতে পারে, এমন সম্ভাবনা প্রবলভাবে দেখা যায়।

* ভুল পররাষ্ট্রনীতি: সরকার অত্যন্ত দূর্বল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করবে এবং ভবিষ্যতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সাথে চরম বিবাদ ও সংঘাত তৈরি হতে পারে। একদিকে ঠিক রাখলে আরেকদিক নারাজ হয়ে পরবে। ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

* কূটনৈতিক নিষ্ফলতা: কূটনৈতিক আলোচনা বা শান্তিচুক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

* ২০২৮-৩০ সালে বহিঃশক্তি দ্বারা বাংলাদেশ আক্রান্ত হতে পারে বা কিছু ভুল সিদ্ধান্তের জন্য দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

* মিত্রদের বিমুখতা: চরম সংকটের মুহূর্তে সরকারের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত মিত্রদের একাংশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাহায্য না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংসদ সদস্যদের একাংশ অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে হাত মিলিয়ে সরকারকে দুর্বল করে দিতে পারেন।

💥৪. নৈতিক অবক্ষয় ও ঋণের বোঝা :

* ভাগ্যের মন্থরতা: সময়ের সাথে সাথে সরকারের ভাগ্য ও উন্নয়নের গতি আর্থিক কারণে চরমভাবে মন্থর হয়ে যেতে পারে। বিশেষত নতুন সরকারকে অনেকটা শূন্য ও ঋণগ্রস্ত কোষাগার নিয়ে পুরো দেশের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হবে, যা সময়ের সাথে অনেক ভারী ও দুর্ভাগ্যজনক হয়ে উঠবে।

* আর্থিক অপচয়: রাষ্ট্রীয় অর্থের ব্যাপক অপচয় ঘটবে এবং ভুল নীতি দেশকে ঋণের সাগরে ডুবিয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষের ন্যায্য অর্থ ( পেনশন, ব্যাংকের আমানত, বিনামূল্যে পাওয়া অধিকার ) প্রদান করতে সরকার ব্যর্থ হতে পারে এবং তা নিয়ে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করতে পারে।
বৈদেশিক ঋণের বোঝা ও ভুল অর্থনৈতিক পদক্ষেপ সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ক্লান্তির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

🔅৫. রাজকীয় আভিজাত্যে ফাটল :

* জনবিচ্ছিন্ন ঘোষণা: সময়ের সাথে সাথে সরকারের বাচনভঙ্গি ও ঘোষণাগুলো জনগণের মনে গভীর ক্ষোভ ও আঘাত তৈরি করতে পারে।

* হাহাকার: করের বোঝা ও চরম আর্থিক সংকটের কারণে জনগণের মধ্যে হাহাকার তৈরি হতে পারে এবং সরকারের কথা ও কাজে মিল থাকাটা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠতে পারে।

💫৬. চূড়ান্ত পরিণাম: বিশ্বাসঘাতকতা ও নাটকীয় অবসান

* সংঘাতময় সমাপ্তি: এই সরকারের শেষ সময় বা পরিণাম অত্যন্ত নাটকীয়, রক্তক্ষয়ী এবং সংঘাতময় হতে পারে। পূর্ণমেয়াদ ক্ষমতায় থাকাটা ভীষণ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

* বিশ্বাঘাতকতা: নিজস্ব লোক বা অতি বিশ্বস্ত মিত্রদের বিরোধী দলের সাথে হাত মিলিয়ে বড় ধরনের বিশ্বাসঘাতকতার যোগ রয়েছে, যা বিদেশি শত্রুদের দেশের অভ্যন্তরে ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে।

* আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত: সরকারের আভ্যন্তরীণ উচ্চপদস্থ নেতাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের কিছু হঠকারী ও আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের কারণে সরকার মেয়াদপূর্তির আগেই পতনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে পারে।

🗽৭. বিরোধী দলের ভূমিকা ও ক্রিয়াকলাপ :

* সেপ্টেম্বর ২০২৭ এর পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটভূমিতে আওয়ামী লীগ পুনরায় শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে আসতে পারে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি নিজের শারীরিক অসুস্থতা সামলে নিতে পারেন, তাহলে আবার সে সময় বাংলাদেশে ফিরবেন। যদিও তাঁর শারীরিক অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

* এছাড়াও আমেরিকা,চীন, ভারত, পাকিস্তান চারটি দেশই বর্তমান সরকারের উপর তাদের প্রভাব বিস্তার করার জন্য নানাবিধ নৈতিক ও অনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে, যা সামাল দেওয়া সরকারের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

* এক্ষেত্রে বিরোধী দলের মধ্যে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি জামায়াত ইসলামি দলটিও একটি সরকার বিরোধী শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে এবং সরকার পতনের উদ্দেশ্যে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

💓উপসংহার :

মুঘলদের সেই জ্যোতিষ শাস্ত্রের প্রতি বিশ্বাস আজও আমাদের শিখিয়ে দেয় যে, সময় সবচেয়ে বলবান। বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ক্যানভাসেও সেই গ্রহদের একই খেলা চলছে। মানুষ কেবল নিমিত্ত মাত্র, আসল চালিকাশক্তি সেই পরমাত্মা। সময়ের এই ক্রুর সংকেত যেন আমাদের বিচক্ষণ হওয়ার প্রেরণা দেয়। সকল অশুভ যোগ খণ্ডিত হোক এবং দেশের সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। পরিশেষে, সত্যের জয় অনিবার্য।

Avoy Amrito Das
Founder, Amrito-Aloke Astrology Foundation
Founder, A.A.DAS & GEM
Vedic Astrologer | Author | Spiritual Speaker…

_______________ ♥________________

Editorial Disclaimer:
This post is intended solely for historical reflection, philosophical discussion, and astrological analysis. The events referenced are drawn from historical narratives, traditional accounts, and interpretations within established astrological traditions.

Nothing in this content is meant to endorse, oppose, promote, or criticize any political party, government, public office holder, or state institution. Any references to contemporary circumstances are presented strictly within an astrological and analytical framework and should be understood as interpretative and probabilistic in nature—not definitive predictions or factual assertions.

This work is intended for readers who value the dialogue between metaphysical inquiry and historical reflection. Its purpose is to encourage prudence, awareness, and collective responsibility in times of transition. Ultimately, humanity moves within the vast theatre of Mahakala—Great Time. May wisdom prevail, and may the welfare of all be upheld…